উত্তরের চার জেলা লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামে তিস্তাপাড়ে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ভারী বর্ষণ ও উজানে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
- * * * *
- গলাচিপায় রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
- * * * *
- তেল নিয়ে পাম্প কর্মীদের সাথে বাইকারদের হাতাহাতি
- * * * *
- হরমুজের থেকেও বড় বাধা অন্তর্বর্তী সরকারের মার্কিন চুক্তি: দেবপ্রিয়
- * * * *
- রাজশাহীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু
- * * * *
বিপৎসীমার ওপরে
গেল ২৪ ঘণ্টায় সিলেটের সবকটি নদীতে পানি কিছুটা কমেছে। তবে এখনো সুরমা ও কুশিয়ারার পানি তিন পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ফরিদপুরে আড়িয়াল খাঁ ও পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সদরপুর উপজেলার ৩ ইউনিয়নের অন্তত এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। একের পর এক গ্রাম ডুবে যাচ্ছে পানিতে, পাশাপাশি দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন।
পূর্ণিমার প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের ১০ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি।
গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।
আকস্মিকভাবে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি কারণে দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চ চলাচল চালু আছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াদ হোসেন।
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে সিলেটের নদ-নদীর পানি হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
ভারতের মেঘালয় ও আসামে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। এতে শেরপুরের চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ভয়াবহ বন্যা হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল আর কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রংপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চলের অনেক বসতবাড়িতে পানি উঠেছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও নেপ টাইডের (অমাবস্যা এবং পূর্ণিমার মাঝামাঝি সময়) প্রভাবে বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ৭টি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। যে কারণে নতুন করে পানি ঢুকে পড়ছে বিভিন্ন এলাকায়।